অনুবাদ নাটকে আমার আগ্রহ কম। মোহাম্মেদ বেন আবদাল্লাহ’র দ্য ট্রায়াল অফ মাল্লাম ইলিয়া’র অনুবাদ পড়ে কেমন যেন চেনা মনে হয়। গল্পরীতি, চরিত্র, চরিত্রের বিশ্লেষণ-কোথায় যেন অনেক কথা বলে দেয়। দেখায় আমাদের দেশের রাজনৈতিক গুপ্তহত্যা, ক্ষমতার অগণতান্ত্রিক পালাবদল ও ক্ষমতার পাশাপাশি বা কাছাকাছি থাকা পরিবারগুলোর দুর্দশা। অবশেষে উদ্বুদ্ধ হই নাটক নির্মাণে। কিন্তু গল্প খুঁজে পাই না। অনেকবার খোঁজার চেষ্টা করি সরল গল্প কিন্তু পাই না। ভাবি, না থাক সেরকম গল্প। অন্যরকম গল্প বলি না কেন? নাটক চলে নন-লিনিয়ার পথে। থিয়েটার-এ নন-লিনিয়ার! আমরা ধারণ করতে পারবো তো? দেখি চ্যালেঞ্জ নিয়ে! এ যাত্রায় আবারো প্রেরণা প্রাণের দল ‘বটতলা’। কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে ঝাপিয়ে পড়ে যজ্ঞে। যাত্রা একটাই, একটি আপাত এলোমেলো গল্পকে নতুন মাত্রা দেয়া। চলুক না যাত্রা।
তরুণ অনুবাদক সৌম্য সরকারের আগ্রহ, হুমায়রা আখতারের পোষাক ও দ্রব্যসামগ্রী নির্মাণ, ইমরান খান মুন্নার সেট-লাইট, সামিনা লুৎফা’র কোরিওগ্রাফী, ব্রাত্য আমিনের মিউজিক, তৌফিক হাসানের ব্যবস্থাপনা, ইভান রিয়াজের প্রকাশনা ডিজাইন, মিজানুর রহমান-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং ‘বটতলা’র সকলের আগ্রহ নাটকটির নন-লিনিয়ার গতি ত্বরান্বিত করে। হোক না ক্ষতি কী? আবার হয়তো একে একটি সরল রৈখিক গল্প বলেই দর্শক ধরে নেবে। কৃতজ্ঞ নায়লা আজাদ নুপুর ও নিকোর কাছে কোরিওগ্রাফী ও লাঠি চালনায় সহযোগিতার জন্য। সর্বোপরি অভিনেতা-নির্দেশক সালেক খান ও ‘বটতলা’র প্রতি কৃতজ্ঞতা- এ নাটকটি নির্দেশনা দিতে আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য।

One Comment

Comments are closed.