Story line

The play starts in complete darkness—in the middle of a planned insurgency. A youth named Malwal leads a coup invading old leader Mallam Muhammad Ilya’s house. The rebels take Ilya to a secret place where they set a kangaroo court and put him in a ‘trial’. In Malwal’s idiom, they offer Ilya a last chance of ‘self-defense’! In the course of Iliya’s dramatic story telling begins a play inside the play. We travel thirty years back in time when Ilya himself was a young man—caretaker of the powerful national religious institution. Leader Abbas; a member of the Inner Council of Kamran Shah’s cabinet, is Ilya’s religious Guru. Young Ilya achives Kamran’s wrath by preaching against the tyranny of his government. Meanwhile, leader  Abbas’s only daughter Halima, a very attractive young woman, gets involved in an amorous relationship with the same Kamran and gets pregnant.

Ilya, with some other oppositional political leaders, is arrested for treason. Kamran and his sycophants maneuver a mock trial. They forced Halima to say that Ilya raped her. Abbas who was present in the courtroom, dies in the frenzy. Kamran Shah, in the meantime, marries the princess of a neighbouring state and young Ilya is given a death sentence.

Several sudden shifts in the power game occurrs and coups and counter-coups take place. Kamran is exiled while Ilya and other prisoners are freed. They become heroes when Kamran’s team is thrown into jail. Ilya weds Halima. Halima’s mother Khodeja takes the ‘illegitimate’ child of Halima and Kamran to a remote village, where Chandrapuri another ex-officio of Kamran‘s council also lives. Chandrapuri takes charge of the young boy, with a plot in mind!

Ilya still lingered with power. and Kamran dies in exile. Ilya, Chandrapuri and Halima travels to meet Kamran’s wife Sania with the appeal to take Kamran’s  dead body to his own country. Cunning and arrogant Sania again put Halima through the ordeal when she proposes:  Kamran’s corpse will travel to his country, only if Ilya and Halima confess, in public this time, that the ‘illegitimate’ child was Ilya’s.

Kings are toppled down in insurgencies but peoples’ economic and social condition remain similarly wretched as earlier. At this stage of story telling, it seems like Malwal’s existence depends on this confession.Today he has to reveal the truth. Does he really get to the truth?

নাটক কাহিনী
নাটকের শুরু অন্ধকারে— একটি পরিকল্পিত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। মালওয়াল নামক একজন যুবকের নেতৃত্বে ক্ষমতার অন্যতম গ্রহ মাল্লাম ইলিয়ার বাড়িতে হানা দেয় নববিপ্লবীরা। বিনারক্তপাতে এ বিপ্লব ঘটানো হবে এমন স্পষ্ট নির্দেশ থাকলেও আমরা জানতে পারি একজন নারী খুন হয়েছেন— হালিমা, ইলিয়ার স্ত্রী। বিপ্লবীরা মাল্লামকে নিয়ে একটি গোপন স্থানে চলে যায়। মাল্লামকে একটি ট্রায়ালে দাঁড় করায় মালওয়ালরা। মাল্লাম মুহম্মদ ইলিয়া শুরু করে তার বয়ান। শুরু হয় নাটকের মধ্যে নাটক— কয়েক স্তরের নাটক। আমরা চলে যাই প্রায় ত্রিশ বছর পিছনে যখন ইলিয়া ছিল যুবক। ইলিয়ার দীক্ষা ছিল প্রধানত ধর্মীয়। তবে ধর্মের ও সততার বোধ তাকে ন্যায়ের কথা বলতে শেখায়— জনতাকে সে বলতে শুরু করে বর্তমান ‘দুঃশাসনের’ কথা। রাষ্ট্রনায়ক কামরানের শ্যেন দৃষ্টিতে পড়তে হয় তাকে। অন্যদিকে, গুরু আব্বাসের কন্যা রূপসী হালিমা জড়িয়ে পড়ে কামরানের সঙ্গে সম্পর্কে; ফল: হালিমা হয়ে পড়ে অন্তঃসত্ত্বা। কামরানকে হত্যার চক্রান্তে লিপ্ত থাকার অভিযোগে আরো নেতাদের সাথে বন্দী হয় ইলিয়া। তার বিচার নিয়ে শুরু হয় প্রহসন। হত্যাচক্রান্তে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নাটক সাজিয়ে হালিমার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জন্য দায়ী করা হয় ইলিয়াকে। তাকে দেয়া হয় মৃত্যুদণ্ড। এভাবেই মৃতদের সাক্ষ্য ও অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বা কখনো মালওয়ালের হস্তক্ষেপে বর্তমানে ফিরে এসে এগোয় নাটক। কামরানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে উল্টে যায় ক্ষমতার কক্ষপথ। ইলিয়া এবং অন্যরা যারা বন্দী ছিল, হয়ে ওঠে রাষ্ট্রের কাণ্ডারী আর কামরানের সমর্থকরা হয় বন্দী। রাজনীতির খেলা কিন্তু চলতে থাকে— ক্ষমতার গণেশ উল্টে আবার নতুন গণেশদের অভ্যুত্থান হতে থাকে। জনতার ভাগ্যের পরিবর্তন কখনই হয় না। তবে ইলিয়া ক্ষমতার কাছাকাছি থেকে যায় প্রত্যেকবার। এর মধ্যে জানা যায় শ্বশুরের রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে কামরানের। জনগণের আবেগের নতুন মাত্রা প্রকাশ পায় এবার; কামরানের মৃতদেহকে তারা নিজেদের বলে দাবি করে। জনতার এ দাবি জনরোষে রূপ নিতে পারে ভেবে ইলিয়া যায় কামরানের স্ত্রী সানিয়ার দরবারে— উদ্দেশ্য কামরানের মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা। কুশলি সানিয়া রাজি হয় তবে শর্ত আবার সেই স্বীকারোক্তি! ইলিয়া এবং হালিমাকে আবার বলতে হবে, যে সন্তান হালিমার গর্ভে হয়েছিল, সে পুত্রসন্তান মাল্লাম ইলিয়ার ঔরসজাত! নাটক বর্ণনার এ পর্যায়ে ভয়ানক উত্তেজিত হয়ে ওঠে মালওয়াল। মালওয়ালকে দেখে মনে হয় সেই ‘স্বীকারোক্তি’ নাটকের সাথেই যেন জড়িয়ে আছে তার সব। আজ একটি এসপার ওসপার করা চাই— দৃশ্যত মনে হয় রাজনৈতিক প্রয়োজনে। নাকি আত্মপরিচয়ের খোঁজে উন্মত্ত মালওয়াল আজ? কী উত্তর পায় সে?

Advertisements