
Members
বটতলার সভাপতি খুশি কবির বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই, ১৯৭২ সালে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। সেই সময় তিনি দেশের প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসরত অবস্থায় কাজ করতেন। গ্রামীণ মানুষের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিবেদিত করেছেন সমাজ পরিবর্তনের প্রয়াসে। ১৯৮০ সালে তিনি যোগ দেন নিজেরা করি নামের একটি জাতীয় পর্যায়ের স্বনামধন্য বেসরকারি সংস্থায়, যা সচেতনতা ও সংগঠনের মাধ্যমে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নিজেদের অধিকার ও প্রাপ্যতা দাবি করতে সক্ষম করে তুলেছে। নিজেরা করির `চেতনায়ন সৃস্টির’ এই আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি শক্তিশালী, আত্মনির্ভর ও অধিকার সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে তোলার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। খুশি কবির নারীর সমতা ও ক্ষমতায়ন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার, পরিবেশগত ন্যায়বিচার, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা, খাদ্য সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জবাবদিহিতামূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছেন—সবকিছুই তিনি দেখেন নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে। তিনি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা সংগঠন ও নেটওয়ার্কে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমতাপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের স্বপ্নকে সামনে রেখে তিনি ভূমি অধিকারের ন্যায়সংগত বণ্টন, পরিবেশ রক্ষা ও ন্যায়বিচার, ধর্মীয় উগ্রবাদ প্রতিরোধ, নারী অধিকার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।