
Bonnotherium, Dakat Halum Chitpotang & Shobuj Desher Bipod
বন্যথেরিয়াম
ব্যাপ্তি: ৬০ মিনিট
গল্প: সুকুমার রায়
নাট্যরূপ ও নির্দেশক: ইভান রিয়াজ
প্রযোজনা: বটতলা
নাটক কাহিনী:
প্রাণীবিজ্ঞান সংস্থা ‘ওয়াইল্ড ভিশন’-এর মূল দায়িত্ব বন আর বন্যপ্রাণী গবেষণা, সংরক্ষণ এবং তা বৃদ্ধিতে কাজ করা হলেও এক অদ্ভুত প্রজাতির ‘ট্যাঁশ গরু’র সন্ধান পাওয়া মাত্র তা ধরে নিয়ে আসা হয় কোম্পানির প্রেসিডেন্ট হারুর নির্দেশে। এমন অদ্ভুত আর বিরল বন্যপ্রাণীর সন্ধান ওয়াইল্ড ভিশনকে এনে দেয় খ্যাতি। খবর পেয়ে ছুটে আসে বন্যপ্রাণী ব্যবসায়ী মিস হুক্কি; সে আরও ট্যাঁশ গরুর সন্ধান চায়। এরই মাঝে আরও অদ্ভুত বন্যপ্রাণী আর প্রকৃতির সন্ধান নিয়ে আসে বিখ্যাত গবেষক প্রফেসর হেঁসোরাম হুঁশিয়ার-এর ভাগ্নে চন্দ্রখাই; সে নিজেও একজন বিজ্ঞানী, গবেষক এবং প্রকৃতিপ্রেমী। চন্দ্রখাইয়ের কাছে প্রফেসর হেঁসোরাম হুঁশিয়ার-এর অদ্ভুত অভিযানের কাহিনী শুনে হারু আর মিস হুক্কি রোমাঞ্চিত হতে থাকে। নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হচ্ছে ভেবে তারা উৎফুল্ল হয়ে ওঠে। তখন তারা অক্সিজেন, খাদ্যচক্র আর পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভুলে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে—সবুজ প্রকৃতিকে ধূসর করে মুনাফা লাভের। আর চন্দ্রখাইও গল্পের ছলে পৌঁছাতে থাকে তার চূড়ান্ত উদ্দেশ্যে।
নেপথ্যে মূল গল্প, গান ও ছড়া: সুকুমার রায় | উপদেষ্টা নির্দেশক:মোহাম্মদ আলী হায়দার | নাট্যরূপ ও নির্দেশনা: ইভান রিয়াজ | গানের সুর: ব্রাত্য আমিন, ইভান রিয়াজ, লোচন পলাশ ও সংগৃহিত | আবহ সঙ্গীত পরিকল্পনা: লোচন পলাশ | কোরিওগ্রাফি: সামিনা লুৎফা নিত্রা| দ্রব্য সামগ্রী পরিকল্পনা: পাভেল রিয়াজ ও ম. সাঈদ | পোশাক পরিকল্পনা: তৌফিক হাসান ভূঁইয়া ও পাভেল রিয়াজ | মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনা: ইমরান খান মুন্না | আলোক প্রক্ষেপণ সহকারী: মীর মোহাম্মদ বাদল | রূপসজ্জা পরিকল্পনা: চন্দ্রাবতী ইভা | রূপসজ্জা: শেউঁতি শীন শাহগুফতা, সানজিদা ইয়াসমিন, সানজানা ফারাহ্, লোচন পলাশ ও চন্দ্রাবতী ইভা | পোস্টার: শাহনেওয়াজ ইফতি | টাইপোগ্রাফি: ইভান রিয়াজ | প্রজেকশন: নাজিফা তাসনিম খানম তিশা | অডিওভিজুয়্যাল নির্দেশনা: কাজী রোকসানা রুমা | গ্রাফিক্স: মাহবুব মাসুম | নেপথ্য-কণ্ঠ: শেউঁতি শীন শাহগুফতা | প্রযোজনা ব্যবস্থাপক: সুমিত তেওয়ারি | ব্যবস্থাপনা সহকারী: আশরাফুল ইসলাম অশ্রু | সার্বিক ব্যবস্থাপনা: বটতলা
ডাকাত হালুম চিৎপটাং
ব্যাপ্তি: ৩০ মিনিট
নির্দেশনা: হুমায়ুন আযম রেওয়াজ
প্রযোজনা: শিশুবিভাগ, বটতলা
নাটক কাহিনী: জার্মান সাহিত্যিক ওটফিল্ড প্রুশলারের বিখ্যাত গল্প অবলম্বনে তৈরি নাটকে, দাদীমার প্রিয় সুরেলা কফি কল ডাকাত হালুম চুরি করে নিয়ে গেলে তা উদ্ধারে অভিযানে নামে দুই দূরন্ত বন্ধু ক্যাসপার্ল ও সেপেল। ডাকাতকে ফাঁদে ফেলার বুদ্ধি এঁকেও তারা হালুমের হাতে বন্দি হয়ে পড়ে এবং সেপেলকে বিক্রি করে দেওয়া হয় এক দুষ্টু জাদুকরের কাছে, অন্যদিকে ক্যাসপার্ল আটকে পড়ে ডাকাতের আস্তানায়। তবে ভয় না পেয়ে ক্যাসপার্ল তার উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে ডাকাতকে কাবু করে ফেলে এবং সেপেল জাদুকরের আস্তানায় বন্দি থাকা এক রূপান্তরিত পরীকে উদ্ধার করে জাদুকরকে পরাজিত করে। শেষমেশ ক্যাসপার্ল ও সেপেল তাদের সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ডাকাত হালুমকে একেবারে চিৎপটাং করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় এবং দাদীমার চুরি হওয়া সুরেলা কফি কল উদ্ধার করে সানন্দে বাড়ি ফিরে আসে।
সবুজ দেশের বিপদ
ব্যাপ্তি: ১৫ মিনিট
চিত্রনাট্য ও পরিচালনা : মিথুন হাসান
প্রযোজনা : ইউনিভার্সেল পাপেট
সার সংক্ষেপ :
দূরের এক গ্রহ N7 থেকে দুষ্টু এলিয়েন, শিংগু আর টোকেন, নজর রেখেছে সবুজ দেশের দিকে। আজ যে সেখানে বটতলার শিশু নাট্যোৎসব বসেছে, আর হাজির হয়েছে হাসিখুশি অনেক ছেলেমেয়ে — এটাই তাদের সহ্য হচ্ছে না! গোপনে তারা ছক কষছে এক দুষ্টু পরিকল্পনা, যাতে উৎসবের সব আনন্দ মুহূর্তেই মাটি হয়ে যায়। এদিকে সাহসী সত্য, হাসিখুশি ডিস্টু আর সতর্ক কেতলি কিছুই জানে না। উৎসবের আনন্দের মাঝেই হঠাৎ হাজির হয় শিংগু — আর সাথে নিয়ে আসে এমন এক বিপদ, যা সামলাতে দরকার হবে তোমাদের সবার সাহায্য! কী সেই বিপদ, আর কীভাবে সবুজ দেশকে বাঁচাবে সত্য আর তার বন্ধুরা — তা জানতে চলে এসো আজকের শোতে, আর হয়ে ওঠো সবুজ দেশের রক্ষক!
